পুঁজিবাজারে লেনদেন বেড়েছে ৩৭ শতাংশ

দেশের পুঁজিবাজারে গত সপ্তাহে সূচকে নিম্নমুখিতা থাকলেও লেনদেন বেড়েছে।

দেশের পুঁজিবাজারে গত সপ্তাহে সূচকে নিম্নমুখিতা থাকলেও লেনদেন বেড়েছে। আলোচ্য সপ্তাহে প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স কমেছে দশমিক ৩২ শতাংশ। পাশাপাশি দৈনিক গড় লেনদেন বেড়েছে ৩৭ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। ডিএসইর সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহে ডিএসইএক্স সূচক আগের সপ্তাহের তুলনায় ১৬ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৯০২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের সপ্তাহে যা ছিল ৪ হাজার ৯১৮ পয়েন্ট। এছাড়া গত সপ্তাহে নির্বাচিত কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ সপ্তাহের ব্যবধানে ২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৮২০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের সপ্তাহে যা ছিল ১ হাজার ৮২৩ পয়েন্ট। শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস গত সপ্তাহে ২০ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৭৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের সপ্তাহে যা ছিল ১ হাজার ৯৪ পয়েন্ট।

ডিএসইতে গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া মোট ৩৯৪টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৪১টির, কমেছে ২৩০টির, অপরিবর্তিত ছিল ২৩টির আর লেনদেন হয়নি ১৯টির। গত সপ্তাহে সূচকের পতনে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে খুলনা পাওয়ার, এনার্জিপ্যাক পাওয়ার, এইচআর টেক্সটাইল, মিথুন নিটিং ও বসুন্ধরা পেপারের শেয়ার। ডিএসইতে গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে মোট ২ হাজার ৪১৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, আগের সপ্তাহে যা ছিল ১ হাজার ৪১০ কোটি টাকা।

খাতভিত্তিক লেনদেনে গত সপ্তাহে ব্যাংক খাতের আধিপত্য ছিল। লেনদেনচিত্র বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত সপ্তাহে ডিএসইর মোট লেনদেনের ২৮ দশমিক ১১ শতাংশ দখলে নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে ব্যাংক খাত।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১১ দশমিক ৭২ শতাংশ দখলে নিয়েছে খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাত। ৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত। এছাড়া ৮ দশমিক ২৭ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে চতুর্থ অবস্থানে ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাত। আর পঞ্চম স্থানে থাকা মিউচুয়াল ফান্ড খাতের দখলে ছিল ৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

গত সপ্তাহে ডিএসইতে মিউচুয়াল ফান্ড খাতের শেয়ারে সবচেয়ে বেশি ৮ দশমিক ৬৬ শতাংশ ইতিবাচক রিটার্ন এসেছে। এছাড়া ব্যাংক খাতে ২ দশমিক ৭৮, জীবন বীমা খাতে দশমিক ১ দশমিক ৯৭ ও পাট খাতে দশমিক ৭৬ শতাংশ ইতিবাচক রিটার্ন ছিল। অন্যদিকে গত সপ্তাহে কাগজ ও মুদ্রণ খাতে সবচেয়ে বেশি ৫ দশমিক ৭৬ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে। এরপর সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক রিটার্ন ছিল প্রকৌশল খাতে ৪ দশমিক ৫৩, চামড়া প্রতিষ্ঠান খাতে ৪ দশমিক ২২, সিরামিক খাতে ২ দশমিক ২ ও বস্ত্র খাতে ২ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ।

আরও